শিরোনাম

(পর্ব ১১ তম) সময়ের সাহসী সংবাদপত্র দৈনিক ওলামা কন্ঠ, সম্পাদক’র সাথে সাক্ষাত

 

দৈনিক ওলামা কন্ঠ পত্রিকা নিরপেক্ষ সংবাদপত্র। ন্যায়ের পক্ষে সর্বদাই সচেষ্ট তাই নির্ধিধায় বলা যায়- সত্য ও ন্যায়ের অন্যতম প্রতীক দৈনিক ওলামা কন্ঠ। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এক ঝাঁক সাহসী সাংবাদিক নিরলসভাবে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ সব সময় পরিবেশন করছে জনপ্রিয় ও শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্র দৈনিক ওলামা কন্ঠে।

ঐতিহ্যবাহী চরমোনাইর বাৎসরিক ফাল্গুনের মাহফিলে এবার গিয়েছিলাম একাগ্রচিত্তে মাহফিল শ্রবন করে ধারাবাহিক সংবাদ পরিবেশন করার জন্য। আলহামদুলিল্লাহ, দ্বিতীয় দিনে দুপুরে দৈনিক ওলামা কন্ঠের সম্পাদক মহোদয়ের কল পেয়ে চমকে ওঠলাম।

বুঝতে আর বাকী রইল না কে কল দিয়েছেন, তিনি হলেন- তরুন লেখক, কলামিষ্ট, মানবাধিকার কর্মি, সাংবাদিক ও দৈনিক ওলামা কন্ঠ পত্রিকার সম্পাদক মহোদয় কে. এম. নূহু হোসাইন। সাবের ভাই জলদি বাংলাদেশ কুরআন শিক্ষা বোর্ডের হেড অফিসের দ্বিতীয় তলায় চলে আসুন।

এতোক্ষনে দৈনিক ওলামা কন্ঠের অস্থায়ী অফিসে এসে পৌঁছেছেন। সাংবাদিকের প্রেস কার্ড সাথে থাকায় অফিসে পৌঁছতে কোনো বাঁধার সম্মূখীন হতে হয়নি। প্রায় এক বছর পর এই প্রথম সম্পাদক মহোদয়কে দর্শন করে হ্নদয় মাঝে ঈদের আনন্দ অনুভব করতে লাগলাম।

আমার নিকট মনে হলো এ যেন পরম পাওয়া। মাহফিলের তৃতীয় দিন অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার আমার শ্রদ্ধেয় প্রিয় ব্যক্তিত্ব কে. এম. নূহু মহদয়ের সাথে আমার দেখা করার কথা ছিল।

অতীব দূঃখের বিষয় ইসলামী অটো মটরবাইক শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হওয়ায় ব্যস্ত থাকার ফলে, আর আমাদের দু’জনের দেখা হয়নি।

কিন্তু তিনি আমাকে ভূলেননী! কক্সবাজার প্রতিনিধি মো: কালিমুল্লাহ ভাই সম্পাদক মহদয়ের সাথে দেখা করতে আসলে আমাকে বারবার ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও নেট সমস্যাগত কারনে আর সাক্ষাৎ হলনা।

প্রিয় মানুষটির কথা ক্ষণে ক্ষণে মনে পড়ে। সংবাদপত্রের লেখার নিয়ম – কানুন ও তার মহা মূল্যবান উপদেশ আমার জীবনে চলার পথে পাথেয় হয়ে থাকবে।
(চলবে)

লেখক: আ. স. ম. আবু তালেব।

নিউজটি শেয়ার করুন :