শিরোনাম

চরকাদিরা ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিরব প্রচারণা

আমানত উল্লাহ, কমলনগর (লক্ষ্মীপুর)

আসন্ন লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীদের প্রচার- প্রচারণা জমজমাট হয়ে উঠেছে। ঈদ পরবর্তী সময়ে ভোটারদের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করে যাচ্ছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। প্রার্থীরা শুভেচ্ছা বিনিময় কালে খোঁজখবর নিচ্ছেন ভোটারদের।সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন হাঁটবাজার ও চায়ের দোকানে চলছে নানা আলাপ আলোচনা।কোন প্রার্থী কেমন, কার কি অবস্হান, জনগনের সাথে কার কেমন সম্পর্ক,বিগত ৫ বছর কারা জনগনের খোঁজখবর নিয়েছে,কারা জনগনের কোন খবর নেননি, জনগনের সুখে দুঃখে কারা ছিলেন এসব নিয়ে নানা বিশ্লেষণধর্মী আড্ডায় মেতে উঠেছে সচেতন ভোটাররা।

প্রার্থীরাও ছোটে যাচ্ছে ভোটারদের ধারে ধারে।তবে এখন পর্যন্ত যথা সময়ে নির্বাচন হবে কি হবে না তার কোন সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারেনি প্রার্থী ও ভোটাররা। অনেক প্রার্থী নির্ধারিত সময়ে ভোট হবে এমন ধারণা নিয়েই প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।আবার অনেকেই করোনা ভাইরাসের কারন দেখিয়ে যথা সময়ে নির্বাচন নিয়ে অনেকটা সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগছে। তবুও মাঠে সরগরম সম্ভাব্য প্রার্থীরা। কেউ নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন হওয়ার উপর অবিচল থেকে সরব প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।আবার অনেকেই যথা সময়ে নির্বাচন না হওয়ার উপর অবিচল থেকে নিরবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

অনেকটা সন্দেহ নিয়েই উভয় পক্ষের পার্থীরা প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে। দিচ্ছে নানা উন্নয়ন করার প্রতিশ্রুতি।আবার অনেক প্রার্থী ইতিমধ্যে নিজস্ব অর্থায়নে নানা উন্নয়ন মুলক কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন।ঈদ কেন্দ্রীক দলীয় নেতাকর্মীদের খোজখবর ও নিচ্ছেন। সব মিলিয়ে চরকাদিরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও মেম্বার পার্থীদের প্রচারণা জমজমাট হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন হাঁটবাজার ও চায়ের দোকানে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। কোন প্রার্থী কি করবে, কার আমলে কেমন উন্নয়ন হয়েছে, ভবিষ্যতে নতুনরা আসলে কি করতে পারবে ও এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে নানা বিশ্লেষণ করে যাচ্ছে ভোটাররা।

তবে যত প্রার্থী হউক না কেন ক্লিন ইমেজের প্রার্থীকেই বেছে নিবেন ভোটাররা।সবদিক বিবেচনা নিয়েই এবার তারা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন বলে অনেকেই এ প্রতিবেদককে জানান। ভোটাররা জানান, সৎ,যোগ্য ও দুর্নীতিমুক্ত প্রার্থীকে এবারও তারা বেছে নিবেন।কোন অবস্থাতেই সন্রাস-দুর্নীতিবাজ- অস্রবাজ- দাগী অপরাধী- মানুষের হক নষ্টকারী,আমানত খেয়ানতকারী- জুলুমবাজ-অবৈধ চোরাকারবাবী ও অসৎ কোন প্রার্থীকে তারা ভোট দিবেনা।এবারে ভোটাররাও অনেকটা সতর্কতার সাথে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের চিন্তা ভাবনা করেই এগোচ্ছেন তারা। এবারের নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ইতিমধ্যে যাদের নাম উঠে এসেছে তারা হলেন বর্তমান চেয়ারম্যান ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত আল্লামা খালেদ সাইফুল্লাহ পীর সাহেব কমলনগর।

আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ওমর ফারুক ভুঁইয়া,আশ্রাফ উদ্দীন রাজু, ইব্রাহীম বাবুল মোল্লা, নুরুল ইসলাম, একে এম ফজলুল হক মানিক হাওলাদার,ডাঃ হারুন অর রশিদ, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ভিপি নুরুন্নবী চৌধুরী,মিয়া মোঃ মনিরুল ইসলাম রিপু ও মিজানুর রহমান সোহেল বাংগালী।বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী হারুন অর রশিদ হাওলাদার, আনোয়ার হোসেন হিরন হাওলাদার ও আব্দুর রহিম মেম্বার।জাতীয় পার্টির মনোনয়ন প্রত্যাশী মহিন উদ্দীন হাওলাদার ও সতন্র প্রার্থী হিসেবে জয়নাল আবদীনের নাম আলোচনায় রয়েছে।সম্ভাব্য মেম্বার প্রার্থী হিসেবে ১নংওয়ার্ডে শামছুল হক, ফারুক।

২নংওয়ার্ডে আব্দুর রহিম মিয়া, মাওলানা হোসাইন আহমাদ,আব্দুল মালেক ব্যাপারী ও আনোয়ার হোসেন সুমন।৩নংওয়ার্ডে মনির আহমদ মাঝি,জহির উদ্দীন ভুইঁয়া,আব্বাস উদ্দীন মাঝি,আব্দুল মতলব,মোঃ নিজাম উদ্দিন। ৪নংওয়ার্ডে আব্দুর রব মেম্বার, মহিন উদ্দীন মেম্বার,নাছির মাঝি। ৫নংওয়ার্ডে সফিক উল্লাহ ,মনির, মুফতী নুরুল্লাহ।৬নংওয়ার্ডে আইয়ুব আলী,নিজাম উদ্দীন, ইদ্রীস মেম্বার,বাহার উদ্দীন।৭নংওয়ার্ডে হারুনুর রশিদ জিন্নাহ ভুইঁয়া,মিলন মোক্তার,মনির  আহমদ।৮নংওয়ার্ডে আব্দুল কাদের মাঝি,আরমান ভুইঁয়া,মোসলেহ উদ্দীন।৯নংওয়ার্ডে খোকন মেম্বার,হারুনুর রশীদ,সফিক হাওলাদার,ও জামাল উদ্দীন মাঝি প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন :